
Iraban, ইরাবান
‘ইরাবান’ অর্জুনের অনাদৃত সন্তান, অথচ তার আত্মবলিদানেই পিতৃকুলের জয়লাভের পথ প্রশস্ত হয়। তাকে নিয়ে শ্রীকৃষ্ণের চাতুরী এবং রাজনীতির ধুরন্ধর চাল আমাদের মনে করিয়ে দেবে একালেও সদালভ্য রাজনৈতিক হীনতা। কী করে সেই জাল কাটিয়ে মৃত্যুর পরেও নারীস্বভাবাদের হৃদয়সম্রাট হয়ে উঠল তরুণ কুমার ইরাবান— সেই আখ্যান বিধৃত হয়েছে এই উপন্যাসে।
উলুপী-অর্জুন পুত্র ইরাবান পাণ্ডবপক্ষের বিজয়কল্পে নিজের আত্মাহুতি দেবার সিদ্ধান্তে অবিচল থাকে। নিষ্ঠুর মৃত্যুকে আলিঙ্গন করবার পূর্বে তার দু'টি মনোবাসনা পূরণ করবার ছিল। প্রথমটি, সে যেন মৃত্যুর পরও কুরুক্ষেত্র যুদ্ধে শত্রুদের হেনস্থা নিজের চোখে দেখতে পায় এবং দ্বিতীয়টি, মৃত্যুর পূর্বে কোনও কুমারীর সঙ্গে যেন তার পরিণয় সুসম্পন্ন হয়। এক রাতের জন্য হলেও সে দাম্পত্য প্রেমের আস্বাদ পেতে চায়। শ্রীকৃষ্ণ তার মনোবাঞ্ছা পূর্ণ করার সঙ্গে সঙ্গে এই তরুণ রাজকুমার হয়ে উঠল এই দেশের সমস্ত নারীস্বভাবার দয়িত, পরমকাঙ্খিত স্বামী। কোন মন্ত্রবলে তা সম্ভব হল, সেই সূত্র নিহিত আছে প্রতিভা সরকার রচিত এই উপন্যাসে— ‘ইরাবান’।








